সুনামগঞ্জ ০২:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

এক সফল অধিনায়কের গল্প

অণিশ তালুকদার বাপ্পু
  • আপডেট সময় : ১২:৫০:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫ ১৩৩ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দিপু চলতি ক্রিকেট সিজনে খুব কাছ থেকে দেখা একজন সফল অধিনায়ক। বাঁধন ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে খেলেছে। বয়স কতই বা হবে।

স্টেডিয়ামে লাইভ করার সুবাদে দিপুকে আমি যতটুকু অবলোকন করেছি তার সারমর্ম এটাই, নিজেকে শতভাগ উজার করে দেয়া একজন ক্রিকেটার। আন্তরিকতা, পরিশ্রম, আর ধৈর্য্য এই তিনটি গুণ দিপুকে অন্য সবার চেয়ে একটু আলাদা করে রেখেছে।

 

সেমিফাইনাল খেলায় যখন দ্রুত বাঁধনের ৪ উইকেটের পতন হয়, তখন ক্যাপ্টেন দিপু সোহান কে নিয়ে খেলেছে অনবদ্য ইনিংস। নিয়ে গেছে জয়ের দ্বারপ্রান্তে। সেইদিন দিপুর দায়িত্বশীল ব্যাটিং বিমুগ্ধ করেছে। ফাইনাল খেলার দিন অল্পরানে আউট হওয়ার পর যখন দিপু ক্রিজ ছেড়ে ড্রেসিং রুমের দিকে হেঁটে যাচ্ছিলো, লাইভে দাঁড়িয়ে থাকা আমার মনে হয়েছিলো কি যেন হারিয়ে ফেলেছে সে।

টিমের প্রতি এতো দরদ তার। সৃষ্টিকর্তার কি কৃপা। তার বলেই ক্যাচ আউট হয় ফ্যান্টমের লাস্ট উইকেট। জয়ের নায়ক হয়ে যায় দিপু। একজন জ্যান্টলম্যান ক্রিকেটারের সবগুণ দিপুর চরিত্রে বিদ্যমান। সিনিয়রদের প্রতি তার সম্মানবোধ অগাধ।

বাঁধন ক্রিকেট ক্লাব জন্মের পর এই প্রথমবার ১ম বিভাগ ক্রিকেট লীগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। যে টিমের অধিনায়ক হিসেবে দিপু ইতিহাসের পাতায় তার নাম লিখে দিলো। সে হলো বাঁধন ক্রিকেট ক্লাবের সফল অধিনায়ক। একজন ক্রিকেটারের জীবনে আর কি প্রাপ্তির প্রয়োজন। জেলা টিমে খেলার ডাক পেয়েছে দিপু।

আশা করি দিপু তার সেরাটা উপহার দিয়ে চান্স পাবে। শুভকামনা রইলো ছোট ভাই দিপুর জন্য। এটিবি পরিবারের পক্ষ থেকে দিপুকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। আলোকিত হোক দিপুর ক্রিকেট জীবন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

এক সফল অধিনায়কের গল্প

আপডেট সময় : ১২:৫০:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫

দিপু চলতি ক্রিকেট সিজনে খুব কাছ থেকে দেখা একজন সফল অধিনায়ক। বাঁধন ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে খেলেছে। বয়স কতই বা হবে।

স্টেডিয়ামে লাইভ করার সুবাদে দিপুকে আমি যতটুকু অবলোকন করেছি তার সারমর্ম এটাই, নিজেকে শতভাগ উজার করে দেয়া একজন ক্রিকেটার। আন্তরিকতা, পরিশ্রম, আর ধৈর্য্য এই তিনটি গুণ দিপুকে অন্য সবার চেয়ে একটু আলাদা করে রেখেছে।

 

সেমিফাইনাল খেলায় যখন দ্রুত বাঁধনের ৪ উইকেটের পতন হয়, তখন ক্যাপ্টেন দিপু সোহান কে নিয়ে খেলেছে অনবদ্য ইনিংস। নিয়ে গেছে জয়ের দ্বারপ্রান্তে। সেইদিন দিপুর দায়িত্বশীল ব্যাটিং বিমুগ্ধ করেছে। ফাইনাল খেলার দিন অল্পরানে আউট হওয়ার পর যখন দিপু ক্রিজ ছেড়ে ড্রেসিং রুমের দিকে হেঁটে যাচ্ছিলো, লাইভে দাঁড়িয়ে থাকা আমার মনে হয়েছিলো কি যেন হারিয়ে ফেলেছে সে।

টিমের প্রতি এতো দরদ তার। সৃষ্টিকর্তার কি কৃপা। তার বলেই ক্যাচ আউট হয় ফ্যান্টমের লাস্ট উইকেট। জয়ের নায়ক হয়ে যায় দিপু। একজন জ্যান্টলম্যান ক্রিকেটারের সবগুণ দিপুর চরিত্রে বিদ্যমান। সিনিয়রদের প্রতি তার সম্মানবোধ অগাধ।

বাঁধন ক্রিকেট ক্লাব জন্মের পর এই প্রথমবার ১ম বিভাগ ক্রিকেট লীগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। যে টিমের অধিনায়ক হিসেবে দিপু ইতিহাসের পাতায় তার নাম লিখে দিলো। সে হলো বাঁধন ক্রিকেট ক্লাবের সফল অধিনায়ক। একজন ক্রিকেটারের জীবনে আর কি প্রাপ্তির প্রয়োজন। জেলা টিমে খেলার ডাক পেয়েছে দিপু।

আশা করি দিপু তার সেরাটা উপহার দিয়ে চান্স পাবে। শুভকামনা রইলো ছোট ভাই দিপুর জন্য। এটিবি পরিবারের পক্ষ থেকে দিপুকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। আলোকিত হোক দিপুর ক্রিকেট জীবন।