ঢাকা ০২:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মধ্যনগরের হাওর ও কৃষিজমি রক্ষায় হাওরের অবৈধভাবে কান্দা কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন। কৃষিজমির উপরিভাগ কর্তন ও জবরদখলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে সরকার। জগন্নাথপুর আদর্শ মহিলা কলেজের নবীন বরন ও বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন ছাতকে চরম অবহেলা, ৫ মাস আগের মেয়াদোত্তীর্ণ স্যালাইন শরীরে দিল নার্স, জীবন সংকটে রোগী। তাহিরপুরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের পাশে ভিডিপি সদস্যরা আট দলীয় জোটের লিয়াজো কমিটির বৈঠক  নাশকতার মামলায় ধর্মপাশায় আওয়ামী লীগ নেতার গ্রেপ্তার শেখ কামাল পাশা স্মৃতি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ অনুষ্ঠিত ছাতকে মিলনের পক্ষে সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা এ কে এম রিপনের গণসংযোগ ছাতক ও দোয়ারাবাজার উপজেলা জামায়াতের যৌথ রুকন (সদস্য) সমাবেশ অনুষ্ঠিত

এবার স্বাধীনতা পুরষ্কার পেলেন যারা

আমার সুনামগঞ্জ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:৩৪:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫
  • / 283
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে পদকপ্রাপ্ত ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের হাতে পদক তুলে দেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৫ পেলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

গত ১১ মার্চ রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের তালিকার প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন যাঁরা—বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর), সাহিত্যে মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর), সমাজসেবায় স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর), মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতিতে মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর), শিক্ষা ও গবেষণায় বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর (যা তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন) এবং প্রতিবাদী তারুণ্যে আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

জামাল নজরুল ইসলামের পক্ষ থেকে তাঁর মেয়ে সাদাফ সাদ সিদ্দিকী, আল মাহমুদের মেয়ে বেগম আতিয়া মীর, ফজলে হাসান আবেদের ছেলে শামেরান আবেদ, আজম খানের মেয়ে অরণী খান এবং আবরার ফাহাদের মা রোকেয়া খাতুন পুরস্কার গ্রহণ করেন। নভেরা আহমেদের পুরস্কার প্যারিসে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে তাঁর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

বদরুদ্দীন উমর পুরস্কার গ্রহণে অপারগতা প্রকাশ করায় তাঁর জন্য পদক তৈরি করা হয়নি। তবে পদকের রেপ্লিকা জাতীয় জাদুঘরের সংরক্ষিত করা হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আবদুর রশিদ।
২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকার ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতিবছর স্বাধীনতা পুরস্কার দিয়ে আসছে। এ পর্যন্ত ৩২৪ জন স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে ৫ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেট মানের ৫০ গ্রাম স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস : আমার সুনামগঞ্জ | Amar Sunamganj

এবার স্বাধীনতা পুরষ্কার পেলেন যারা

আপডেট সময় : ০২:৩৪:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫

মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে পদকপ্রাপ্ত ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের হাতে পদক তুলে দেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৫ পেলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

গত ১১ মার্চ রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের তালিকার প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন যাঁরা—বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর), সাহিত্যে মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর), সমাজসেবায় স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর), মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতিতে মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর), শিক্ষা ও গবেষণায় বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর (যা তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন) এবং প্রতিবাদী তারুণ্যে আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

জামাল নজরুল ইসলামের পক্ষ থেকে তাঁর মেয়ে সাদাফ সাদ সিদ্দিকী, আল মাহমুদের মেয়ে বেগম আতিয়া মীর, ফজলে হাসান আবেদের ছেলে শামেরান আবেদ, আজম খানের মেয়ে অরণী খান এবং আবরার ফাহাদের মা রোকেয়া খাতুন পুরস্কার গ্রহণ করেন। নভেরা আহমেদের পুরস্কার প্যারিসে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে তাঁর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

বদরুদ্দীন উমর পুরস্কার গ্রহণে অপারগতা প্রকাশ করায় তাঁর জন্য পদক তৈরি করা হয়নি। তবে পদকের রেপ্লিকা জাতীয় জাদুঘরের সংরক্ষিত করা হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আবদুর রশিদ।
২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকার ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতিবছর স্বাধীনতা পুরস্কার দিয়ে আসছে। এ পর্যন্ত ৩২৪ জন স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে ৫ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেট মানের ৫০ গ্রাম স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।