ঢাকা ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ট্যাকেরঘাট চুনাপাথর খনি মাধ্যমিক বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ৬০ দিনের জন্য সাময়িক বরখাস্ত, ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে মুর্তজ আলী ইনকিলাব জিন্দাবাদ লিখে পোস্ট: ডা. শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাস ভাইরাল ধানের শীষে ভোট না দেওয়ায় ধর্ষণের অভিযোগ তাহিরপুরে শিপলু হত্যা মামলা ঘিরে পুরনো রায় নতুন করে আলোচনায়, যুবদল নেতার বক্তব্যে রাজনৈতিক উত্তাপ মধ্যনগরে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার ছাতক-দোয়ারার মানুষ পরিবর্তন চায়’দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সমর্থনে প্রচার মিছিল নেতাকর্মীদের ঢল মধ্যনগরের হাওর ও কৃষিজমি রক্ষায় হাওরের অবৈধভাবে কান্দা কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন। কৃষিজমির উপরিভাগ কর্তন ও জবরদখলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে সরকার। জগন্নাথপুর আদর্শ মহিলা কলেজের নবীন বরন ও বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন ছাতকে চরম অবহেলা, ৫ মাস আগের মেয়াদোত্তীর্ণ স্যালাইন শরীরে দিল নার্স, জীবন সংকটে রোগী।

ছাতকে খেয়াঘাটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, ছদ্মবেশে ইউএনও

পাপলু মিয়া, ছাতক প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১:০০:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৫
  • / 317
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছাতক পাবলিক খেয়াঘাটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কারণে ইজারাদারের লোককে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শনিবার (১২এপ্রিল) বিকালে ছদ্মবেশে খেয়াঘাটে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তরিকুল ইসলাম। নির্ধারিত পাঁচ টাকার পরিবর্তে যাত্রীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক ১০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষ প্রতিদিনই অতিরিক্ত টাকা দিতে বাধ্য হচ্ছেন। স্থানীয়রা বিষয়টিকে ‘নীরব চাঁদাবাজি’ বলে অভিহিত করছেন।

জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খেয়াঘাটে ছদ্মবেশে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৪০ ধারায় খেয়াঘাটের অর্থ আদায়কারী পৌর শহরের নোয়ারাই গ্রামের সাবাজ আলীর ছেলে শাহেদ মিয়া (৪২) কে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেন এবং খেয়াঘাটে নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা টানানোর নির্দেশ দেন।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, দিনে ১০ টাকা নিলেও রাতে তা বেড়ে দ্বিগুণ কিংবা তিনগুণ পর্যন্ত নেওয়া হয়। তবে সাধারণ মানুষ মান-সম্মানের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করছেন না। প্রতিদিন প্রায় সহস্র যাত্রী এই পথে পারাপার হন। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের ফলে দিনে প্রায় পাঁচ হাজার, মাসে দেড় লক্ষ এবং বছরে প্রায় ১৮ লাখ টাকা অতিরিক্ত আদায় করা হচ্ছে।

অতিরিক্ত ভাড়ার বিষয়ে ইজারাদার সজিব চৌধুরী বলেন, খেয়াঘাট পারাপারে ৩টি নৌকা চলাচল করে। জেলা পরিষদ নির্ধারিত ৫টাকা করে ভারা আদায় করা হচ্ছে। খেয়া পারাপারে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হয় না। অতিরিক্ত ভাড়ার ব্যপারে আমাদের জানাও ছিল না।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ তরিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন জনস্বার্থে এধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস : আমার সুনামগঞ্জ | Amar Sunamganj

ছাতকে খেয়াঘাটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, ছদ্মবেশে ইউএনও

আপডেট সময় : ১১:০০:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৫

ছাতক পাবলিক খেয়াঘাটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কারণে ইজারাদারের লোককে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শনিবার (১২এপ্রিল) বিকালে ছদ্মবেশে খেয়াঘাটে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তরিকুল ইসলাম। নির্ধারিত পাঁচ টাকার পরিবর্তে যাত্রীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক ১০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষ প্রতিদিনই অতিরিক্ত টাকা দিতে বাধ্য হচ্ছেন। স্থানীয়রা বিষয়টিকে ‘নীরব চাঁদাবাজি’ বলে অভিহিত করছেন।

জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খেয়াঘাটে ছদ্মবেশে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৪০ ধারায় খেয়াঘাটের অর্থ আদায়কারী পৌর শহরের নোয়ারাই গ্রামের সাবাজ আলীর ছেলে শাহেদ মিয়া (৪২) কে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেন এবং খেয়াঘাটে নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা টানানোর নির্দেশ দেন।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, দিনে ১০ টাকা নিলেও রাতে তা বেড়ে দ্বিগুণ কিংবা তিনগুণ পর্যন্ত নেওয়া হয়। তবে সাধারণ মানুষ মান-সম্মানের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করছেন না। প্রতিদিন প্রায় সহস্র যাত্রী এই পথে পারাপার হন। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের ফলে দিনে প্রায় পাঁচ হাজার, মাসে দেড় লক্ষ এবং বছরে প্রায় ১৮ লাখ টাকা অতিরিক্ত আদায় করা হচ্ছে।

অতিরিক্ত ভাড়ার বিষয়ে ইজারাদার সজিব চৌধুরী বলেন, খেয়াঘাট পারাপারে ৩টি নৌকা চলাচল করে। জেলা পরিষদ নির্ধারিত ৫টাকা করে ভারা আদায় করা হচ্ছে। খেয়া পারাপারে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হয় না। অতিরিক্ত ভাড়ার ব্যপারে আমাদের জানাও ছিল না।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ তরিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন জনস্বার্থে এধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।