ঢাকা ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ট্যাকেরঘাট চুনাপাথর খনি মাধ্যমিক বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ৬০ দিনের জন্য সাময়িক বরখাস্ত, ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে মুর্তজ আলী ইনকিলাব জিন্দাবাদ লিখে পোস্ট: ডা. শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাস ভাইরাল ধানের শীষে ভোট না দেওয়ায় ধর্ষণের অভিযোগ তাহিরপুরে শিপলু হত্যা মামলা ঘিরে পুরনো রায় নতুন করে আলোচনায়, যুবদল নেতার বক্তব্যে রাজনৈতিক উত্তাপ মধ্যনগরে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার ছাতক-দোয়ারার মানুষ পরিবর্তন চায়’দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সমর্থনে প্রচার মিছিল নেতাকর্মীদের ঢল মধ্যনগরের হাওর ও কৃষিজমি রক্ষায় হাওরের অবৈধভাবে কান্দা কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন। কৃষিজমির উপরিভাগ কর্তন ও জবরদখলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে সরকার। জগন্নাথপুর আদর্শ মহিলা কলেজের নবীন বরন ও বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন ছাতকে চরম অবহেলা, ৫ মাস আগের মেয়াদোত্তীর্ণ স্যালাইন শরীরে দিল নার্স, জীবন সংকটে রোগী।

ভারতে ভয়াবহ বন্যা: সাত রাজ্যে মৃত অন্তত ৪৪, আসামে সর্বাধিক প্রাণহানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০১:১৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ জুন ২০২৫
  • / 380
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে টানা বৃষ্টি, নদীভাঙন ও ভূমিধসে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সাতটি রাজ্যে এই দুর্যোগে এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৪৪ জন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত রাজ্য আসাম, যেখানে প্রাণহানি ঘটেছে ১৭ জনের।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বুধবার (৪ জুন) জানায়, আসাম ছাড়াও অরুণাচল প্রদেশ, মেঘালয়, মিজোরাম, ত্রিপুরা, নাগাল্যান্ড ও মণিপুরে বন্যা পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যাচ্ছে। এসব রাজ্যের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বন্যা, ভূমিধস ও বিভিন্ন দুর্ঘটনায় এ প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

প্রাণহানির সংক্ষিপ্ত বিবরণ:

আসাম: ১৭ জন

অরুণাচল প্রদেশ: ১২ জন

মেঘালয়: ৬ জন

মিজোরাম: ৫ জন (তাদের মধ্যে ৩ জন মিয়ানমার থেকে আসা শরণার্থী)

ত্রিপুরা: ২ জন

নাগাল্যান্ড: ১ জন

মণিপুর: ১ জন

আসামে পরিস্থিতি সবচেয়ে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। রাজ্যের অন্তত ২১টি জেলা এখন পানির নিচে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ৬ লাখ ৩০ হাজারের বেশি মানুষ। ব্রহ্মপুত্রসহ একাধিক নদীর পানি এখনো বিপদসীমার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে।

অরুণাচল প্রদেশেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বহু ঘরবাড়ি, সড়ক, বিদ্যুৎ ও পানির সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। মিজোরামে গত ১০ দিনে ঘটেছে অন্তত ৫০০টি ভূমিধসের ঘটনা, যা জনজীবন পুরোপুরি বিপর্যস্ত করে তুলেছে।

সিকিমে ভারী বর্ষণের কারণে বিপাকে পড়েছেন প্রায় ১,৩০০ পর্যটক, যাদের অনেকেই এখনও বিভিন্ন জায়গায় আটকে রয়েছেন। অন্যদিকে ত্রিপুরা, মেঘালয় ও নাগাল্যান্ডে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও পুরোপুরি স্বস্তির কোনো লক্ষণ নেই।

দুর্যোগ মোকাবিলায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আসাম ও সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী এবং মণিপুরের রাজ্যপালের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। তিনি পরিস্থিতির খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে জরুরি সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস : আমার সুনামগঞ্জ | Amar Sunamganj

ভারতে ভয়াবহ বন্যা: সাত রাজ্যে মৃত অন্তত ৪৪, আসামে সর্বাধিক প্রাণহানি

আপডেট সময় : ০১:১৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ জুন ২০২৫

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে টানা বৃষ্টি, নদীভাঙন ও ভূমিধসে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সাতটি রাজ্যে এই দুর্যোগে এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৪৪ জন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত রাজ্য আসাম, যেখানে প্রাণহানি ঘটেছে ১৭ জনের।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বুধবার (৪ জুন) জানায়, আসাম ছাড়াও অরুণাচল প্রদেশ, মেঘালয়, মিজোরাম, ত্রিপুরা, নাগাল্যান্ড ও মণিপুরে বন্যা পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যাচ্ছে। এসব রাজ্যের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বন্যা, ভূমিধস ও বিভিন্ন দুর্ঘটনায় এ প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

প্রাণহানির সংক্ষিপ্ত বিবরণ:

আসাম: ১৭ জন

অরুণাচল প্রদেশ: ১২ জন

মেঘালয়: ৬ জন

মিজোরাম: ৫ জন (তাদের মধ্যে ৩ জন মিয়ানমার থেকে আসা শরণার্থী)

ত্রিপুরা: ২ জন

নাগাল্যান্ড: ১ জন

মণিপুর: ১ জন

আসামে পরিস্থিতি সবচেয়ে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। রাজ্যের অন্তত ২১টি জেলা এখন পানির নিচে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ৬ লাখ ৩০ হাজারের বেশি মানুষ। ব্রহ্মপুত্রসহ একাধিক নদীর পানি এখনো বিপদসীমার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে।

অরুণাচল প্রদেশেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বহু ঘরবাড়ি, সড়ক, বিদ্যুৎ ও পানির সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। মিজোরামে গত ১০ দিনে ঘটেছে অন্তত ৫০০টি ভূমিধসের ঘটনা, যা জনজীবন পুরোপুরি বিপর্যস্ত করে তুলেছে।

সিকিমে ভারী বর্ষণের কারণে বিপাকে পড়েছেন প্রায় ১,৩০০ পর্যটক, যাদের অনেকেই এখনও বিভিন্ন জায়গায় আটকে রয়েছেন। অন্যদিকে ত্রিপুরা, মেঘালয় ও নাগাল্যান্ডে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও পুরোপুরি স্বস্তির কোনো লক্ষণ নেই।

দুর্যোগ মোকাবিলায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আসাম ও সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী এবং মণিপুরের রাজ্যপালের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। তিনি পরিস্থিতির খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে জরুরি সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।