ঢাকা ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ট্যাকেরঘাট চুনাপাথর খনি মাধ্যমিক বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ৬০ দিনের জন্য সাময়িক বরখাস্ত, ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে মুর্তজ আলী ইনকিলাব জিন্দাবাদ লিখে পোস্ট: ডা. শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাস ভাইরাল ধানের শীষে ভোট না দেওয়ায় ধর্ষণের অভিযোগ তাহিরপুরে শিপলু হত্যা মামলা ঘিরে পুরনো রায় নতুন করে আলোচনায়, যুবদল নেতার বক্তব্যে রাজনৈতিক উত্তাপ মধ্যনগরে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার ছাতক-দোয়ারার মানুষ পরিবর্তন চায়’দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সমর্থনে প্রচার মিছিল নেতাকর্মীদের ঢল মধ্যনগরের হাওর ও কৃষিজমি রক্ষায় হাওরের অবৈধভাবে কান্দা কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন। কৃষিজমির উপরিভাগ কর্তন ও জবরদখলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে সরকার। জগন্নাথপুর আদর্শ মহিলা কলেজের নবীন বরন ও বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন ছাতকে চরম অবহেলা, ৫ মাস আগের মেয়াদোত্তীর্ণ স্যালাইন শরীরে দিল নার্স, জীবন সংকটে রোগী।

অধ্যক্ষ অপসারণের দাবিতে টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন

নিজস্ব প্রতিবেদক :
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৭:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫
  • / 377
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সুনামগঞ্জ টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটে অধ্যক্ষ মো. সোহরাব হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগ এনে তাঁর অপসারণের দাবিতে শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে আন্দোলনে নেমেছেন।

বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকাল থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রেখে ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। সকাল থেকেই তারা প্ল্যাকার্ড হাতে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন এবং “দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষের অপসারণ চাই”, “শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে দাও”, “স্বজনপ্রীতির অবসান ঘটাও”— এসব স্লোগান দেন।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, অধ্যক্ষ মো. সোহরাব হোসেনের বিরুদ্ধে অতীতেও একাধিক প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ, পদোন্নতিতে অনিয়ম এবং পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ ছিল। এসব অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তাকে সুনামগঞ্জ টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের কাছে অগ্রহণযোগ্য।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থী আপন মিয়া বলেন, একজন বিতর্কিত ব্যক্তির হাতে আমাদের প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব দেওয়া মানে শিক্ষার পরিবেশকে ধ্বংস করা। আমরা এমন একজন অধ্যক্ষকে চাই, যিনি ন্যায়পরায়ণ, সৎ ও শিক্ষার্থীবান্ধব। তাই আমরা তাঁর অবিলম্বে অপসারণ দাবি করছি।

অন্য শিক্ষার্থী রেজাউল হক লিটন বলেন, আমাদের দাবিগুলো না মানা পর্যন্ত আমরা ক্লাসে ফিরব না। আমরা চাই এই ইনস্টিটিউট দুর্নীতিমুক্ত হোক এবং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি স্বচ্ছ প্রশাসনিক পরিবেশ নিশ্চিত করা হোক।

শিক্ষার্থীরা আরও জানান, অধ্যক্ষের অনিয়মের কারণে বিভিন্ন শিক্ষামূলক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটছে, প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে স্বজনপ্রীতি দেখা দিচ্ছে, এমনকি শিক্ষার্থীদের অভিযোগও উপেক্ষা করা হচ্ছে।

এ সময় আন্দোলনে উপস্থিত ছিলেন ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী আমিন উদ্দিন, তাওহিদুল হাসান তামিম, অপূর্ব চৌধুরী, নাসিমুল হক নাসিম, হাফিজুর রহমান, মাহদি হাসান, জিন্নাতুল হক আকাশ, মসহিন খানসহ আরও অনেকে।

শিক্ষার্থীরা দাবি জানান, দ্রুত সময়ের মধ্যে কর্তৃপক্ষ যদি তাদের দাবি মেনে অধ্যক্ষকে অপসারণ না করে, তবে তারা অনির্দিষ্টকালের জন্য আন্দোলন চালিয়ে যাবেন এবং প্রয়োজনে জেলা প্রশাসনের দপ্তর ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচিরও ঘোষণা দেবেন।

অন্যদিকে, অধ্যক্ষ মো. সোহরাব হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস : আমার সুনামগঞ্জ | Amar Sunamganj

অধ্যক্ষ অপসারণের দাবিতে টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন

আপডেট সময় : ০৪:৫৭:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

সুনামগঞ্জ টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটে অধ্যক্ষ মো. সোহরাব হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগ এনে তাঁর অপসারণের দাবিতে শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে আন্দোলনে নেমেছেন।

বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকাল থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রেখে ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। সকাল থেকেই তারা প্ল্যাকার্ড হাতে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন এবং “দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষের অপসারণ চাই”, “শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে দাও”, “স্বজনপ্রীতির অবসান ঘটাও”— এসব স্লোগান দেন।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, অধ্যক্ষ মো. সোহরাব হোসেনের বিরুদ্ধে অতীতেও একাধিক প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ, পদোন্নতিতে অনিয়ম এবং পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ ছিল। এসব অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তাকে সুনামগঞ্জ টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের কাছে অগ্রহণযোগ্য।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থী আপন মিয়া বলেন, একজন বিতর্কিত ব্যক্তির হাতে আমাদের প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব দেওয়া মানে শিক্ষার পরিবেশকে ধ্বংস করা। আমরা এমন একজন অধ্যক্ষকে চাই, যিনি ন্যায়পরায়ণ, সৎ ও শিক্ষার্থীবান্ধব। তাই আমরা তাঁর অবিলম্বে অপসারণ দাবি করছি।

অন্য শিক্ষার্থী রেজাউল হক লিটন বলেন, আমাদের দাবিগুলো না মানা পর্যন্ত আমরা ক্লাসে ফিরব না। আমরা চাই এই ইনস্টিটিউট দুর্নীতিমুক্ত হোক এবং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি স্বচ্ছ প্রশাসনিক পরিবেশ নিশ্চিত করা হোক।

শিক্ষার্থীরা আরও জানান, অধ্যক্ষের অনিয়মের কারণে বিভিন্ন শিক্ষামূলক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটছে, প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে স্বজনপ্রীতি দেখা দিচ্ছে, এমনকি শিক্ষার্থীদের অভিযোগও উপেক্ষা করা হচ্ছে।

এ সময় আন্দোলনে উপস্থিত ছিলেন ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী আমিন উদ্দিন, তাওহিদুল হাসান তামিম, অপূর্ব চৌধুরী, নাসিমুল হক নাসিম, হাফিজুর রহমান, মাহদি হাসান, জিন্নাতুল হক আকাশ, মসহিন খানসহ আরও অনেকে।

শিক্ষার্থীরা দাবি জানান, দ্রুত সময়ের মধ্যে কর্তৃপক্ষ যদি তাদের দাবি মেনে অধ্যক্ষকে অপসারণ না করে, তবে তারা অনির্দিষ্টকালের জন্য আন্দোলন চালিয়ে যাবেন এবং প্রয়োজনে জেলা প্রশাসনের দপ্তর ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচিরও ঘোষণা দেবেন।

অন্যদিকে, অধ্যক্ষ মো. সোহরাব হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।