ঢাকা ১০:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ট্যাকেরঘাট চুনাপাথর খনি মাধ্যমিক বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ৬০ দিনের জন্য সাময়িক বরখাস্ত, ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে মুর্তজ আলী ইনকিলাব জিন্দাবাদ লিখে পোস্ট: ডা. শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাস ভাইরাল ধানের শীষে ভোট না দেওয়ায় ধর্ষণের অভিযোগ তাহিরপুরে শিপলু হত্যা মামলা ঘিরে পুরনো রায় নতুন করে আলোচনায়, যুবদল নেতার বক্তব্যে রাজনৈতিক উত্তাপ মধ্যনগরে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার ছাতক-দোয়ারার মানুষ পরিবর্তন চায়’দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সমর্থনে প্রচার মিছিল নেতাকর্মীদের ঢল মধ্যনগরের হাওর ও কৃষিজমি রক্ষায় হাওরের অবৈধভাবে কান্দা কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন। কৃষিজমির উপরিভাগ কর্তন ও জবরদখলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে সরকার। জগন্নাথপুর আদর্শ মহিলা কলেজের নবীন বরন ও বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন ছাতকে চরম অবহেলা, ৫ মাস আগের মেয়াদোত্তীর্ণ স্যালাইন শরীরে দিল নার্স, জীবন সংকটে রোগী।

সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:৩০:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৫
  • / 577
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পর্যাপ্ত ওয়ার্ড সুবিধা ও দ্রুততম সময়ের মধ্যে হাসপাতাল চালুর দাবিতে মানববন্ধন করেছে সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার সকাল ৮টায় সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীদের আয়োজনে কলেজ ক্যাম্পাসে মানববন্ধন হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন শিক্ষার্থী মোহাম্মদ ইব্রাহিম, প্রিয়াস চন্দ্র দাস, পৃথ্বীরাজ চৌধুরী, তাহরিমা আক্তার, সায়মা আক্তার রিমা, সানজিয়া তাবাসসুম মাইসা প্রমুখ।

এসময় ‘অজুহাতের সুযোগ নাই, অবকাঠামোগত উন্নতি চাই’, ‘এই ব্যর্থতার দায় কার কলেজ না সরকারের’, সিএ নাই, রেজিস্টার নাই, ওয়ার্ড চালাবে কারা ভাই’, ‘ওয়ার্ড ক্লাসে অবহেলা মানি না, মানবো না’, ‘ওয়ার্ড ছাড়া মেডিকেল চলবে না, চলবে না’ সহ বিভিন্ন স্লোগানে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা বলেন, একটি মেডিকেল কলেজের হৃদপিন্ড বা হার্ট হলো হাসপাতাল। মেডিকেল কলেজে যদি হাসপাতাল চালু না থাকে শিক্ষার্থীরা ওয়ার্ড ক্লাস, আউটডোরের কাজ, প্র্যাকটিক্যাল, সার্জারির কাজ হয় না। সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালেও আমরা যেতে পারছি না, কারণ আমাদের ট্রান্সপোর্ট সুবিা নেই।

এছাড়াও সেখানেও আমাদের জন্য যথাযথ সুবিধা নেই। মেডিকেল ও ওয়ার্ডক্লাস ছাড়া কেউ ডাক্তার হলেও কোন ভ্যালু থাকবে না। কর্তৃপক্ষ যদি আমাদের যথাযথ সুবিধা না দিতে পারে তাহলে কেন হসপিটাল চালু করেছে। সুবিধা না দিতে পারলে এটি বন্ধ করে দেয়া হোক। স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে আমাদের দুই দফা দাবি মেনে নিতে হবে। নইলে আমরা আরও কঠোর কর্মসূচি দেবো। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। আমাদের শিক্ষা জীবনের ক্ষতির দায়ভার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, কলেজ কর্তৃপক্ষ কে নিতে হবে।

কলেজ অধ্যক্ষ ড. মোস্তাক আহমেদ ভূঁইয়াসহ কর্মকর্তারা শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে ক্লাসে ফেরানোর চেষ্টা করলেও শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন।

তারা নিজেদের দাবি সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা না পেলে অনির্দিষ্টকালের ক্লাস বর্জন চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেন। এসময় চলতি বছরের জুলাইয়ের ভিতরে হাসপাতাল চালুর দাবি ও ওয়ার্ড কার্যক্রম ছয়দিন করার দাবিও জানান শিক্ষার্থীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস : আমার সুনামগঞ্জ | Amar Sunamganj

সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ০১:৩০:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৫

পর্যাপ্ত ওয়ার্ড সুবিধা ও দ্রুততম সময়ের মধ্যে হাসপাতাল চালুর দাবিতে মানববন্ধন করেছে সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার সকাল ৮টায় সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীদের আয়োজনে কলেজ ক্যাম্পাসে মানববন্ধন হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন শিক্ষার্থী মোহাম্মদ ইব্রাহিম, প্রিয়াস চন্দ্র দাস, পৃথ্বীরাজ চৌধুরী, তাহরিমা আক্তার, সায়মা আক্তার রিমা, সানজিয়া তাবাসসুম মাইসা প্রমুখ।

এসময় ‘অজুহাতের সুযোগ নাই, অবকাঠামোগত উন্নতি চাই’, ‘এই ব্যর্থতার দায় কার কলেজ না সরকারের’, সিএ নাই, রেজিস্টার নাই, ওয়ার্ড চালাবে কারা ভাই’, ‘ওয়ার্ড ক্লাসে অবহেলা মানি না, মানবো না’, ‘ওয়ার্ড ছাড়া মেডিকেল চলবে না, চলবে না’ সহ বিভিন্ন স্লোগানে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা বলেন, একটি মেডিকেল কলেজের হৃদপিন্ড বা হার্ট হলো হাসপাতাল। মেডিকেল কলেজে যদি হাসপাতাল চালু না থাকে শিক্ষার্থীরা ওয়ার্ড ক্লাস, আউটডোরের কাজ, প্র্যাকটিক্যাল, সার্জারির কাজ হয় না। সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালেও আমরা যেতে পারছি না, কারণ আমাদের ট্রান্সপোর্ট সুবিা নেই।

এছাড়াও সেখানেও আমাদের জন্য যথাযথ সুবিধা নেই। মেডিকেল ও ওয়ার্ডক্লাস ছাড়া কেউ ডাক্তার হলেও কোন ভ্যালু থাকবে না। কর্তৃপক্ষ যদি আমাদের যথাযথ সুবিধা না দিতে পারে তাহলে কেন হসপিটাল চালু করেছে। সুবিধা না দিতে পারলে এটি বন্ধ করে দেয়া হোক। স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে আমাদের দুই দফা দাবি মেনে নিতে হবে। নইলে আমরা আরও কঠোর কর্মসূচি দেবো। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। আমাদের শিক্ষা জীবনের ক্ষতির দায়ভার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, কলেজ কর্তৃপক্ষ কে নিতে হবে।

কলেজ অধ্যক্ষ ড. মোস্তাক আহমেদ ভূঁইয়াসহ কর্মকর্তারা শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে ক্লাসে ফেরানোর চেষ্টা করলেও শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন।

তারা নিজেদের দাবি সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা না পেলে অনির্দিষ্টকালের ক্লাস বর্জন চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেন। এসময় চলতি বছরের জুলাইয়ের ভিতরে হাসপাতাল চালুর দাবি ও ওয়ার্ড কার্যক্রম ছয়দিন করার দাবিও জানান শিক্ষার্থীরা।