ঢাকা ১১:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কলেজ শিক্ষিকাকে চাকরিচ্যুতির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার রক্তি নদীতে হাউজবোডের লোকজনের সঙ্গে সংঘর্ষের ভৈরবের মালবাহী নৌকার মাঝির লাশ উদ্ধার ;আটক ৯ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে জামায়াত  সুনামগঞ্জ ট্রাফিক পয়েন্টে ভয়াবহ আগুন ট্যাকেরঘাট চুনাপাথর খনি মাধ্যমিক বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ৬০ দিনের জন্য সাময়িক বরখাস্ত, ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে মুর্তজ আলী ইনকিলাব জিন্দাবাদ লিখে পোস্ট: ডা. শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাস ভাইরাল ধানের শীষে ভোট না দেওয়ায় ধর্ষণের অভিযোগ তাহিরপুরে শিপলু হত্যা মামলা ঘিরে পুরনো রায় নতুন করে আলোচনায়, যুবদল নেতার বক্তব্যে রাজনৈতিক উত্তাপ মধ্যনগরে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার ছাতক-দোয়ারার মানুষ পরিবর্তন চায়’দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সমর্থনে প্রচার মিছিল নেতাকর্মীদের ঢল

তাহিরপুরে দুপক্ষের সংঘর্ষ,বসতবাড়ি ভাংচুর,লুটপাট,অগ্নি সংযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৩:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জুন ২০২৫
  • / 1261
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

তাহিরপুরে নারী নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে দুই পক্ষের বসতবাড়ি ভাংচুর,লুটপাট ও অগ্নি সংযুক্তগের ঘটনা ঘটেছে। এনিয়ে এই গ্রামের বাসিন্দাগনের মধ্যে উৎবেগ আর উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

শনিবার(২১ জুন) দুপুরে উপজেলার বালিজুড়ী ইউনিয়নের হোসেনপুর গ্রামে ফজলু মিয়া ও জহুর আলম এর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর পূর্বেও ৪-৫ বার সংঘর্ষ হয় এই দুই পক্ষের মধ্যে।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়,হোসেনপুর গ্রামের ফজলু মিয়ার ভাই রাশিদ মিয়ার ছেলে সোলেমান মিয়ার সাথে একেই গ্রামের জহুর আলম এর মেয়ে বিপাশা র সাথে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। দীর্ঘ তিন বছর এই সম্পর্কে পর গত গত বছরের ডিসেম্বর মাসে জহুর আলমের মেয়ে সোলেমান এর বাড়িতে গিয়ে উঠে। পরে ছেলে পক্ষের লোকজন মেয়ের বাবার কাছে ফিরিয়ে দেয়। এরপর চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ছেলে ও মেয়ে গোপনে পালিয়ে বিয়ে করে সংসার করছিল। এর মধ্যে মেয়ের বাবা মেয়ে অপহরণ,ধর্ষন মামলা করে। পরে পুলিশ মেয়েকে র‍্যাব এর সহযোগিতার ভৈরব থেকে উদ্ধার করে আর ছেলেকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠায়।

এরপরও মেয়ের পরিবার ছেলের পরিবারে হামলা চালায়। এরপর ছেলের পরিবার মেয়ের পরিবারেও হামলা চালায়। ৫-৬ বার পাল্টাপাল্টি হামলা চলে। এ নিয়ে দু পক্ষে দুটি মামলা চলমান রয়েছে। এর জের ধরে আবারও দেশীর অস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষে মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে দুই পক্ষে ১০-১২ বসত বাড়ি ভাংচুর হয়। ও দুটি বাড়িতে আগুন দেয়া হয়। এসময় হোসেনপুর গ্রামের জজ মিয়ার ছেলে রাকাব উদ্দিন(২০)সহ ১০ জন আহত হয়।

খবর পেয়ে তাহিরপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি দেলোয়ার হোসেন নেতৃত্ব একদল পুলিশ সদস্য নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

তাহিরপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি দেলোয়ার হোসেন জানান,পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। এই বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। কোনো ছাড় দেয়া হবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস : আমার সুনামগঞ্জ | Amar Sunamganj

তাহিরপুরে দুপক্ষের সংঘর্ষ,বসতবাড়ি ভাংচুর,লুটপাট,অগ্নি সংযোগ

আপডেট সময় : ০৬:৪৩:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জুন ২০২৫

তাহিরপুরে নারী নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে দুই পক্ষের বসতবাড়ি ভাংচুর,লুটপাট ও অগ্নি সংযুক্তগের ঘটনা ঘটেছে। এনিয়ে এই গ্রামের বাসিন্দাগনের মধ্যে উৎবেগ আর উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

শনিবার(২১ জুন) দুপুরে উপজেলার বালিজুড়ী ইউনিয়নের হোসেনপুর গ্রামে ফজলু মিয়া ও জহুর আলম এর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর পূর্বেও ৪-৫ বার সংঘর্ষ হয় এই দুই পক্ষের মধ্যে।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়,হোসেনপুর গ্রামের ফজলু মিয়ার ভাই রাশিদ মিয়ার ছেলে সোলেমান মিয়ার সাথে একেই গ্রামের জহুর আলম এর মেয়ে বিপাশা র সাথে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। দীর্ঘ তিন বছর এই সম্পর্কে পর গত গত বছরের ডিসেম্বর মাসে জহুর আলমের মেয়ে সোলেমান এর বাড়িতে গিয়ে উঠে। পরে ছেলে পক্ষের লোকজন মেয়ের বাবার কাছে ফিরিয়ে দেয়। এরপর চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ছেলে ও মেয়ে গোপনে পালিয়ে বিয়ে করে সংসার করছিল। এর মধ্যে মেয়ের বাবা মেয়ে অপহরণ,ধর্ষন মামলা করে। পরে পুলিশ মেয়েকে র‍্যাব এর সহযোগিতার ভৈরব থেকে উদ্ধার করে আর ছেলেকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠায়।

এরপরও মেয়ের পরিবার ছেলের পরিবারে হামলা চালায়। এরপর ছেলের পরিবার মেয়ের পরিবারেও হামলা চালায়। ৫-৬ বার পাল্টাপাল্টি হামলা চলে। এ নিয়ে দু পক্ষে দুটি মামলা চলমান রয়েছে। এর জের ধরে আবারও দেশীর অস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষে মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে দুই পক্ষে ১০-১২ বসত বাড়ি ভাংচুর হয়। ও দুটি বাড়িতে আগুন দেয়া হয়। এসময় হোসেনপুর গ্রামের জজ মিয়ার ছেলে রাকাব উদ্দিন(২০)সহ ১০ জন আহত হয়।

খবর পেয়ে তাহিরপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি দেলোয়ার হোসেন নেতৃত্ব একদল পুলিশ সদস্য নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

তাহিরপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি দেলোয়ার হোসেন জানান,পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। এই বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। কোনো ছাড় দেয়া হবে না।